ঠাণ্ডা কনকনে শীতের রেলিং ধরে যখন হাঁটি..................
মনে পড়ে পুরনো কিছু না বলা কথা।
সূর্যাস্তের লগ্নে সেদিন মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকি সামনের স্নিগ্ধতা পান করার নেশায়......
দার্জিলিং এর মায়া আজও হাতছানি দেয়..................
তখন ১৯৯৯ সাল, শুক্রবার, ভরা পূর্ণিমার রুপোলি আলোয় সে এক মনভোলানো রাত, আর তার সাথে আমার জীবনের পূর্বরাগ................
ভোরের শীতল আলো চোখে এসে পড়ে ভাঙাতো আমার ঘুম..........
আমার নতুন হৃদয় তোমায় খুঁজতো শুধুই ----------------
প্ৰতিকনা বরফের টুকরোতে আর ছেঁড়া ছেঁড়া মেঘের ভাঁজে....
দার্জিলিং এর প্রেম - পরিবেশের সাথে বেশ রোমাঞ্চকর।।।।
প্রথম জীবনের মোহ তোমাকে ঘিরেই.....ঘন কুয়াশায় হাত ছুঁয়ে যেত অনায়াসেই।
বই এর আড়ালে চাপা দেয়া সেই আবেগ চোখের ইশারায় হার মানতো।
নেপালি চায়ের দোকানের সেই নেশা জাগানো গন্ধ
টান টান উত্তেজনায় ভরতো সমস্ত শরীরটা।
পাহাড়ি বৃষ্টি তে হাত ধরে ভেজা আর কম্পন
অথচ ভিতরে একরাশ উষ্ণতা.......... উফ্, প্রেম !!!!
মোহ টা প্রেম - বুঝতে লেগেছিল তিনটে গোটা বছর।।।।
পরিণত বয়সের রূপান্তর আর দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে পরিণত হলো।
কিন্তু প্রকাশ হয়নি সেদিন।
বলে ওঠা হয়নি - " ভালোবাসি তোমায়" -----" তুমি আমার মনের মানুষ " --------
সময়ের আবহমানতায় বয়ে গেছি দুজনেই........
কিন্তু আজও সেই রেলিং ছুঁয়ে একই আমেজ পাই।
প্রথম প্রেম এরকমই হয়-----
শুধু চোখের ভাষায় বুঝিয়ে দিত মন।
ভোলা যায় না যে -
তাই দার্জিলিং ই সাক্ষী থাকুক আমাদের অমরপ্রেম এর অধ্যায়ের সাথে।